একটা গরিব ছেলে কলেজের খুব
ধনী একটা মেয়ের
কাছে একটা চিঠি দিল।
মেয়েটা ছিল খুব অহংকারী ।
চিঠিটা দেখা মাত্রই
সে ছেলেটাকে জুতা মারলো আর
সাথে সাথে প্রিন্সিপাল ও তার
বাবাকে কথাটা বললো ।
প্রিন্সিপাল খুব অপমান
করলো তাকে আর তখনই কলেজ
থেকে টিসি কেটে দিয়ে বের
করে দিল ।
মেয়ের বাবা কলেজের অংশিদার ছিল
তাই ।
মেয়ের বাবা পুলিশে ধরিয়ে দিল
ছেলেটাকে ।
ছেলেটা গরীব ছিল তাই থানা থেকে
কেউ
নিতে আসেনি তাকে ,শুধু তার এক
ছোট
ভাই এসেছিল দেখতে । খুব অত্যাচার
করলো পুলিশ তাকে , খুব মারলো ।
শেষে এক সপ্তাহ
পরে আধামরা করে ছেড়ে দিল।
কলেজের আর এলাকার সব
লোকজন তাকে অপমান
করতে লাগলো ।
পরদিন সকালে কলেজের
বড় বিল্ডিং এর নিজে ছেলেটার
লাশটা খুজে পাওয়া গেলো ।
ছেলেটা অপমান আর কষ্ট সইতে না
পেরে আত্মহত্যা
করেছে ।
ছোট ভাইটা ছিল
তার কলিজার টুকরা , সে যখন
জানলো তখন সেও দুঃখ
সইতে না পেরে মারা গেলো ।
এই দুইটা ছেলের কি সত্যিই দোষ
ছিল…??
মেয়েটা কিছুদিন
পর চিঠিটা খুলে পড়তে লাগলো ,
আর চোখ দিয়ে জল পড়তে
লাগলো,
তখন খুব কাঁদলো মেয়েটা । কেন ?
চিঠিটাতে লেখা ছিল > আমার প্রিয়
ক্লাসমেট ,
আমি খুব গরীব ঘরের ছেলে এটা
জানেন
আপনি । আমার মায়ের খুব
ইচ্ছা ছিল তাই আমাকে কলেজে ভর্তি
করিয়েছিল । যেন আমি একজন
ভাল শিক্ষক হতে পারি , অন্যকে
আমার
শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারি ।
কিন্তু আমার মা কিছুদিন
আগে মারা গেছেন ।
এখন আমি নিজের খরচ
চালাতে পারছিনা ।
পরিক্ষার ফিস কি করে দেব
বুঝতে পারছিনা ।
আমার ছোট্ট
ভাইটাকে নিয়ে খুব
কষ্টে আছি ।
আপনার কাছে একটা অনুরোধ
রাখবো আপনি যদি পারেন
আমার ফিসের টাকাটা দিবেন
বা বাবাকে বলে মাফ
করাতে সাহায্য
করবেন । আমি খুব
ভাল পড়াতে পারি যদি বলেন
আপনাকে পড়াবো আর
নাহলে চাকরি করে টাকাটা শোধ
করে দেবো ।
আপনার এই উপকার
সারা জীবন
মনে রাখবো ।
মুখে বলতে পারবোনা তাই
চিঠি দিলাম । ভাল
থাকবেন , আর
সুখি থাকবেন এই কামনা
করি ।।
এই চিঠির
বিনিময়ে ছেলেটার
জীবনের পুরো
শিক্ষা হয়ে গেলো ,
তাকে আর
শিক্ষকতা করতে হবেনা এখন।
সে আর
কাউকে শিক্ষার
আলো দিতে পারবেনা…
আর এটাই হল ধনী আর গরীবের
মাঝে তফাত..
0 Comments